আমির
খান । বর্তমানে বলিউডের অন্যতম বিষ্ময় । যাতে হাত দেন তাতেই সোনা । সে থ্রি ইডিউটস
হোক বা সিক্রেট সুপারস্টার । ভারতে নায়কের পরিচিত মডেল টা তিনি ভেঙে ফেলে দিয়েছেন একার
হাতে । আমির খানের সিনেমাই সম্ভবত
হয় যেটা ক্রিটিক্স এবং দর্শক দুজনেরই ভাল লাগে । চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বিস্ময় প্রতিভার
কিছু অজানা দিক ।
* আমির খানের বাবা প্রোডিউসার হলেও কোনদিন চাননি তাঁর ছেলে এই প্রফেশনে আসুক
। আমির জোর করেই আসেন এবং ১২
পাশ করার পর আর পড়েননি ।
* ১২ পাশ করলেও আমির খান বলেন যে , তারপরেই তিনি পড়াশোনা
শুরু করেন বাড়ীতে । সিনেমা থেকে ফিজিক্স সব সাবজেক্টই পড়তেন ।
* র্যাঞ্চোর হাতে রুবিক্স কিউব দেখেছিলেন । বাস্তবেও আমির এই খেলায় খুব পটু । মাত্র ২৮ সেকেন্ডে কিউব পাজলের সমাধান
করে দিতে পারেননি । এছাড়া পিয়ানো বাজাতেও দক্ষ
।
* করণ অর্জুন, রোবোট, ডরের মত সিনেমাতে
তিনি অভিনয় করেননি । শুধুমাত্র তাঁর মনে হয়েছিল যে এই চরিত্রটা তার জন্য নয় । এমনকি রজনীকান্ত তাকে অনুরোধ করেছিলেন
রোবো ২ তে রজনীর জায়গায় অভিনয় করতে। আমির বলেন , এই চরিত্রে রজনী স্যর ছাড়া কাউকে ভাবা যায়
না ।
* তাঁর সিনেমা রিলিজ হওয়ার আগের দিন রাতে কোন থিয়েটারের প্রজেকশন রুমে শুয়ে থাকেন
। ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো তে
দর্শকদের রিয়াকশন দেখতে তিনি পছন্দ করেন । আজও একই কাজ তিনি করে যান ।
* গজনী, থ্রি ইডিউটস, দঙ্গল বলিউডের
প্রথম ১০০, ৩০০, ৫০০ ক্লাবের মুভি ।
* এত কিছু স্বত্বেও আমির খান বলেন তিনি কখনও দর্শকদের কথা ভেবে সিনেমা করেননা
। তাহলে নাকি লগান সিনেমাটাই
হত না ! কারন কোন প্রডিউসার বা অভিনেতা ধুতি পড়ে খালি পা ওয়ালা নায়কযুক্ত সিনেমার ওপর
ভরসা করতে পারতেন না ।
* অনেক পড়ুয়া হলেও মাত্র একটা বই নিয়ে তিনি সিনেমা করার কথা ভেবেছিলেন তা হল
‘মহাভারত’ ।
* তাঁর সত্যমেব জয়তে অনুষ্ঠানে আমির খান অভিনীত কোন বিজ্ঞাপন ছিল না । শুধুমাত্র ইনক্রেডেবল ইন্ডিয়া ছাড়া
। মহারাষ্ট্রে তাঁর নিজস্ব জলের
ফাউন্ডেশন আছে ।
* দর্শকদের ভালবাসাই তাঁর কাছে সব । একসময় অ্যাওয়ার্ডের জন্য হামলে পড়লেও
এখন আর যাননা । যে সিনেমা তাকে সন্তুষ্টি
দেয় শুধু সেটাই করেন ।
* বলিউড সিনেমা খুব কম দেখেন । কিন্তু ইন্ড্রাস্ট্রির নানা বন্ধুদের অনুরোধে স্পেশাল স্ক্রিনিং
দেখেন । তার আগে বন্ধুকে বলে দেন মিডিয়াকে
না জানাতে যে তিনি ওই সিনেমাটা দেখেছেন । কারণ খারাপ লাগলে তিনি
মিডিয়ার সামনে মিখ্যা বলতে পারবেন না । ভাল লাগলে তিনি অবশ্য টুইটারে উচ্ছ্বসিত
প্রশংসা করতে ভোলেন না । বজরংগী
ভাইজান বা রোবোট বার হওয়ার পর এমন প্রশংসা করেছেন বার বার ।