Thursday, 23 November 2017

Bose Dead or Alive 2017 Series 720p WEBHD 100MB ESub HEVC x265



download link   https://world4ufree.to/bose-dead-or-alive-2017-series-720p-webhd-100mb-esub-hevc-x265/

Friday, 17 November 2017

ইট সিনেমা ডাউনলোড লিঙ্ক


 ডাউনলোড লিংক http://extramovies.cc/download.php?name=IT+%282017%29+Dual+Audio+Hindi-English+720p+HC+HDRip+Full+Movie+Download&link=aHR0cDovL2JpdC5seS8yeVl5M2xt&server=Direct_Rar

Thursday, 16 November 2017

শচীন ও আমি -অভিষেক হালদার




১৪ ই নভেম্বর।ক্যালেন্ডারে ডেটটা খুঁজলে দেখা যায়,লেখা আছে "চিলড্রেন্স ডে" বা চাচা নেহেরুর জন্মদিন।২০১২ সাল পর্যন্তও ভারতের আম-আদমির কাছে আজকের দুপুরটা ছিল শীতের রোদ্দুর গায়ে মেখে কর্মব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়ে দেওয়া আরো একটা বোরিং দুপুর।২০১৩ তে এসে কেমন জানি সব পাল্টে গেল।চারিদিকে কেমন যেন একটা ছুটি ছুটি আমেজ,তবুও লোকজনের চোখেমুখে একটা পরম আত্মীয় বিয়োগের দুঃখ,কেমন যেন একটা অবিশ্বাসের চাহনি---মানে,সত্যিই এটা কোনোদিন হতে পারে?তারা তখনও কঠিন বাস্তবটাকে হজম করে উঠতে পারেননি।অবিশ্বাসের সাথে একটা গভীর শোক যেন দলা পাকিয়ে গলার কাছে আটকে আছে।
আচ্ছা,এই যে এতগুলো লোক তখনও বাস্তবটাকে অবিশ্বাস করছিলেন,দোষ কি তাদের?না।দোষ ওই ৫ ফুট ৫ ইঞ্চির ৪০ বছরের লোকটার।হ্যাঁ,ওই বেঁটে লোকটাই যত নষ্টের গোড়া।ওই লোকটাই তো গত ২৪ বছর ধরে এতগুলো মানুষের মধ্যে বদঅভ্যাসগুলো নেশার মতো ঢুকিয়ে দিয়েছেন।কেমন বদঅভ্যাস?
এই যেমন ধরুন,একটা বছর বারো-চোদ্দর কিশোর বলা নেই কওয়া নেই টিউশন পড়তে গেলো না,কারণ,ওই বেঁটে লোকটা যে তখন টিভির পর্দায় ওলংগাকে উলঙ্গ করছেন।
কিংবা,একটা মধ্যবয়স্ক ছাপোষা কেরানি হটাৎ করে সকাল ১০ টায় বসকে ফোন করে বললেন,"স্যার,আজ পেটটা ঠিক নেই,অফিস যেতে পারবো না।"আদতে কিন্তু তিনি পুরো ফিট।তাহলে এমন ছেলেমানুষির কারণ?কে আবার?ওই একদা সারদাশ্রমের বিস্ময় বালকটা---ওই যে তখন সে সংযমীভাবে সিডনিতে কাঙারুদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে।
অথবা,ওই যে ক্লাস ইলেভেনের ছেলেটা টিফিন পিরিয়ডে স্কুল থেকে পালালো।কেন?আরে বাবা,তখন তো কোঁকড়ানো চুলের মারাঠিটা চেন্নাইয়ের চিপকে পাকিস্তানের জাদুকর সাকলিনের কালজাদু থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য কোমরে বেল্ট বেঁধেও দাঁতে দাঁত চেপে লড়ে যাচ্ছে।
আচ্ছা,ওই বছর পঞ্চাশের লোকটা ১৯৯৯ এর ইডেনে মাঠে বোতল ছুড়তে গিয়ে পুলিশের লাঠি খেলেন কেন?আরে,এবারও দায়ী,ওই মারাঠিটা।ওকে যদি পাকিস্তানের শোয়েব অমন ধাক্কা মেরে রান আউট না করে দিত,তাহলে কি আর বছর পঞ্চাশের সুবেশী ভদ্রলোক মাঠে বোতল ছুঁড়তে যেতেন?
আসলে লোকটা ১২০ কোটির শিরায়,ধমনীতে,রক্তে মিশে হৃদয়ের চারটি প্রকোষ্ঠজুড়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন।লোকটাকে নিয়ে আবেগটা যেন প্রশ্বাস বায়ু হয়ে উঠেছিল,যা কেউ কখনও ভেবে চিন্তে গ্রহণ করেন না,বরং স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিয়মিতভাবে প্রবেশ করতে থাকে ও জীবনকে জীবিত রাখে।উনিও বাঁচিয়ে রেখেছিলেন আমাদের আবেগকে,ভালোবাসাকে, শৈশবকে,কৈশোরকে...আদপে,আমাদের নিত্যনৈমিত্তিকতায় ভরা প্রতিদিন হেরে যাওয়া জীবনের মধ্যেও একটা একটা ভিন্ন স্বাদের জীবনকে।
সেই প্রাণটা আজ থেকে বছর চারেক আগেই ওয়ানখেড়ে থেকে দেহত্যাগ করলো,পড়ে রইলো ক্রিকেটের শবদেহ,আবেগের কফিন।

Wednesday, 15 November 2017

শচীন - সৌভিক ঘোষ


এমনিতে দুঃখই ভালো লেখার ক্ষেত্রে সহায়ক ,সুখ নয় কিন্তু ১৪-ই নভেম্বর নিয়ে কিভাবে লিখবো? এ যে প্রিয়জনের মৃত্যু সমান যন্ত্রণা।
অবসর ঘোষণা ইস্তক একটা অদ্ভুত ঘোর ছিল কষ্ট নয়। একটা অবিশ্বাসের ঘোর যে ছোটবেলার একটা অভ্যাস যেন হারিয়ে যাবে চিরতরে। প্রচন্ড ব্যথা-যন্ত্রনা অনুভূতিবোধকে অসাড় করে দেয় , বিষয়টি সেরকমই ছিল। তারপর ইডেনে দু চোখ ভরে শেষবারের মতো যখন লোকটাকে দেখছি তখনও কষ্ট ছাড়িয়ে মুগ্ধতাটাই প্রতিপাদ্য হয়ে উঠেছে। মনে আছে মুম্বাই টেস্টেও লোকটার শেষ ইনিংস দেখা পুরোটাই টিভির পর্দা থেকে একবারও চোখ না সরিয়ে। তখন থেকে আস্তে আস্তে আসাড়তা কাটিয়ে জায়গা করে নিচ্ছে গলার কাছে দলা পাকিয়ে ওঠা যন্ত্রণা। শেষদিন গ্যাব্রিয়েলের উইকেটটা পড়ে যাওয়ার পরই বুঝতে পারি শৈশবটা তারুণ্যে গিয়ে শেষ হয়ে যাওয়ার যন্ত্রণাটা , সুতো ছিঁড়ে যাওয়ার যন্ত্রণাটা বাকিটা দেখতে পারিনি। টিভি বন্ধ করে সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলাম। অদ্ভুত দম বন্ধ অবস্থায় কয়েক ঘন্টা পর বাড়িতে ফিরে লাস্ট স্পিচটা দেখতে দেখতে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা মুশকিল হয়ে পড়েছিল। সেই শেষ ক্রিকেটে আগ্রহ হারিয়েছি ওদিনই এখন পরে আছে নেহাত অভ্যাস ।

ফোনের স্ক্রিন, গ্যালারী ,ল্যাপটপ জুড়ে এখনও লোকটার সগর্ব ও সদর্প উপস্থিতি। মাঝের সময়টা ভালোবাসা কমেনি বরং বেড়েছে আগের চেয়ে। সময় ক্ষতে প্রলেপ দিয়েছে হয়তো কিন্তু ভালোবাসায় আবরণী হয়ে উঠতে পারেনি কোনোদিনও। শুধু আমার নয় আমার মতো অনেকেরই। ঐ যে অনুপম বলেছেন না -
" যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা
যেন কেড়ে নিতে দেবো না.."
প্রতিরাতে 'গ্রাস করা চোরাবালিতে' তলিয়ে যেতে যেতেও এভাবেই অটুট থাকুক 'শিকড়ে বাঁধা মাটি', হ্যাঁ এভাবেই।
[ পুনশ্চ : অদ্ভুত মানসিক যন্ত্রনার মধ্যেই তালগোল পাকিয়ে যাওয়া একটা লেখা উৎসর্গীকৃত থাক আমার ভগবানের জন্যই]

Thursday, 9 November 2017

{{ আঁতেল হওয়ার সহজ উপায় }} শোভন নস্কর


কদিন আগেই পোস্ট করে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমি কেমন ওয়ান ওয়ার্ডে বলতে। দুজন দেখি লিখেছে আমি আঁতেল।  এইবার কেউ হয়ত জানতে চাইবে আঁতেল কিভাবে হওয়া যায়। সেগুলি আজ বলব ।
১. সবসময় পড়ুয়া পড়ুয়া ভাব রাখুন। এমন কিছু বইয়ের নাম করুন যা খুব কম লোকেই পড়েছে। মাঝে মাঝে বিদেশী কবি লেখকদের নাম বলুন। যেমন- নেরুদা, ব্রেখট বা গার্সিয়া মার্কেজ।
২. সব কিছু নিয়ে ব্যঙ্গ্ করবেন। ভুলেও কোন কিছুর প্রশংসা করতে যাবেন না।
৩. আঁতেলদের পলিটিক্যালি নিউট্রাল থাকার পদ্ধতি আলাদা। তাই সব পার্টিকেই গালাগাল দিন প্রান ভরে।
৪. কবিতা লেখেন? বেশ। তাতে লিঙ্গ, যোনি, ধর্ষন এই জাতীয় শব্দ দিয়ে দিন। যতটা সম্ভব পুরুষদের কলঙ্কিত দিক গুলো তুলে ধরুন কবিতার মাধ্যমে। ব্যস! অনেকটা কাজ এগিয়ে যাবে।
৫. গল্প লিখলে এমন গল্প লিখুন যাতে মানুষই কনফিউজ হয়ে যায় এটা প্রবন্ধ না গল্প? অন্তর্নিহিত মানে ছাড়া কোন গল্প লেখা যাবে না।
৬. মাঝে মাঝে বলুন, ফেসবুকে আমার 'অসাধারণ' লেখাটা চুরি হয়ে গেছে ! এতে প্রচার পাবে আরো।
৭. ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। পাঞ্জাবি হলে ভাল হয়। মাঝে মাঝে পার্টি বা কফিহাউসের ছবি দিন।
৮. মরে গেলেও ফেসবুকে কারোর মেসেজের রিপ্লাই দেবেন না। একবার রিপ্লাই দিয়েছেন তো আপনার আঁতেলগিরির র‍্যাংকিং এক ধাক্কায় কমে যাবে।
৯. ফেসবুকে কারোর কোন পোস্ট এ রিপ্লাই দিতে গেলে কখনই উৎসাহব্যঞ্জক কিছু বলবেন না বরং তার খুঁত খুজুন। আপনার বয়স ৫০ হলেও ২৫ বছরের ছেলের লেখার খুঁত খুজুন। দু একটা খিস্তিও দিতে পারেন। ওটা এখন আল্ট্রাআঁতেল ব্যাপার।
১০. ভাল চাকরী বাকরি কিছু করলে বা উঁচু জায়গায় ওঠা বসা থাকলে প্রতি মুহুর্তে সেটা অন্যকে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন আর গাম্ভীর্য ধরে রাখুন।
১১. মাঝে মাঝে গোদারের সিনেমা দেখুন। ফ্রেঞ্চ সিনেমা দেখুন ব্যাপক হারে। কলকাতায় যারা গোদার দেখেছে তারা এক ধাপেই আঁতলামোর রেকর্ড করে গেছে ভাই। থ্রিলার, হরর, কমেডি সিনেমা? নৈব নৈব চ। একবার দেখেছেন তো সব পরিশ্রম জলে গেল।
এবার তোমরাই বুঝে নাও আমি আঁতেল কিনা। 

Saturday, 4 November 2017

জেনে নিন এই অসাধারন অ্যাপগুলো । যা বদলে দেবে আপনার মোবাইল !



এই অ্যাপ গুলি আপনার মোবাইল ফোনে ডাউনলোড করার ধারনা পাল্টে দেবে । চলুন আজ আলোচনা করা যাক কয়েকটা দারুন অ্যাপ নিয়ে যেগুলো প্লেস্টোরে ব্যান কিন্তু আপনার অনেক কাজে লাগবে ।

১। বিমুভি – ইংরাজী সিনেমা ডাউনলোড করার অনেক অ্যাপ জানি কিন্তু হিন্দি বা সাউথের সিনেমা ডাউনলোড ও স্ট্রিমিং এর জন্য সেরা অ্যাপ । লিঙ্ক - https://beemovie.en.uptodown.com/android

২। ভিডমেট – এটাও হিন্দি মুভি ও ইউটিউব ডাউনলোডের জন্য সেরা অ্যাপ । হিন্দি টিভির অনুষ্ঠানও পাওয়া যায় । লিঙ্ক- http://vidmate.en.uptodown.com/android

৩। এক্সটিউন – হিন্দি ইংলিশ পপ যেকোন গান সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন বা শুনতে পারবেন ।
লিঙ্ক - https://xtunes.tk/

৪। ফাইলশেফ – যেকোন ফাইল গেম বা মুভি সার্চ করলেই এক ক্লিকে পেয়ে যাবেন । কোন ঝঞ্ঝাট ছাড়াই।

৫। এপিকে পিওর- যেকোন অ্যাপ যেগুলো প্লেস্টোরে টাকা দিয়ে কিনতে হয় সব এখানে পেয়ে যাবেন ফ্রিতে । https://apkpure.com/apkpure/com.apkpure.aegon



তাহলে আর দেরি কেন? মজা নিন । 



 BUY THIS ELECTRONIC PRODUCT FROM AMAZON WITH THIS LINK AND GET A GREAT DISCOUNT !   J
                                                                             CANNON  DSLR  CAMERA (CHEAP PRICE) http://amzn.to/2lgAjPx
                                                                              REDMI  4  http://amzn.to/2yIY9sZ  (32gb) , http://amzn.to/2i2oRlG (64gb)
                                                                              SAMSUNG J3  http://amzn.to/2z6oSjR
                                                                              SAMSUNG  J7  http://amzn.to/2yODyDa
                                                                              SENNHEISER HEADPHON (BEST HEADPHONE)  http://amzn.to/2ld0Vku
                                                                              SAMSUNG EVO 32GB MEMORY CARD http://amzn.to/2z5HeS1
                                                                              APPLE IPHONE 8 (GREAT DISCOUNT!)  http://amzn.to/2leBuiz

                                                                              HYBRID SIM ADOPTER (NEED FOR EVERYONE !)  http://amzn.to/2gI3kT0

Friday, 3 November 2017

দুই চিরকালীন বন্ধুত্ব





ভেরি ভেরি স্পেশাল -সৌভিক ঘোষ



" গাইতে বসে কণ্ঠ ছিঁড়ে আসবে যখন কান্না
বলবে সবাই ঐ যে পথিক তাঁর শেখানো গান না.."
সাল ২০১৮। ফ্যান্টাসি হয়তো তবু ভাবা যাক। পার্থের আগুন ঝরা পিচ। ভারত ২১- ৪। একদিক থেকে আগুন ঝরাচ্ছে স্টার্ক তো অন্যদিকে টাট্টু ঘোড়ার মতো লাফাতে লাফাতে বোলিং মার্কে যাচ্ছে হ্যাজলউড। ২০০৩ এর সেঞ্চুরিয়ানের দ্রাবিড়ের মতো লাফিয়ে টাফিয়েও পেস ম্যানেজ করতে পারছেন না রাহানে। ক্রমশঃ জেগে উঠছে পরিচিত অসি আগ্রাসন আর তা থেকেই আরো আগুনে হয়ে পড়ছেন স্টার্করা। ঠিক এখানেই নিহিত এই লেখার নির্যাস আর প্রথম দু লাইনের যথার্থতা। যিনি ফিরিয়ে দিতে পারতেন এই আগ্রাসন , কব্জির প্রতিটা মোচড়ে ছুড়ে ফেলতে পারতেন বেয়াদব অজিদের সীমানার বাইরে , আমরা নিশ্চিতভাবে মিস করতে শুরু করবো তাকে।রেকর্ড ,সেন্চুরী কণ্টকিত পরিসংখ্যান আজ থাক। ওসবের জন্য ইন্টারনেট আর মোহনদাস মেনন তো আছেই। বরং প্রাধান্য পাক শিল্প। প্রেমের মতোই। প্লেটোনিক হোক , শরীরী নয়। মুহূর্তের কোলাজ খুঁজে নিক চিনে নিক উল্টোদিকে থাকা মানুষটার সত্ত্বাটাকে।
ভিভিএস লক্ষ্মণও তো খানিকটা তাই। রোমান্স মানে চিরকালই একটা কুয়াশা , কিছুটা দেখা আর অনেকখানিই না দেখা। হায়দ্রাবাদির উত্থান এমন সময়ে যখন মধ্যগগনে সচিন-দ্রাবিড়-সৌরভ। একটু পরে বীরু। কি সব দিন কি সব ক্যানভাস। সচিনকে নিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখছেন ওয়ার্ন তো সৌরভ বল ফেলছেন টনটনের নদীতে, বীরু তোয়াক্কা করছেন না পৃথিবীর কোনো বোলারকে। ঠিক এই সময়েই আসলেন তিনি। চিরকালই সাব প্লট গোছের হয়েও গুরুত্বে সর্বোত্তম। কাব্যে উপেক্ষিত এক মহানায়ক যার সব আছে নেই শুধু লাইমলাইট। ইডেনের ঐতিহাসিক টেস্ট থেকে টেল এন্ডার নিয়ে টেস্ট জেতানো ভিভিএস মানেই উত্তুঙ্গ সাফল্য আর কঠিনতর শিখর জয়ের বিশ্বস্ত সেনা। চমকে দেওয়া ২০০৩ বিশ্বকাপের সেনানী সৌরভ এখনও মনে করেন তাঁর সবচেয়ে বড় ভুল ছিল দীনেশ মোঙ্গীয়ার পরিবর্তে ভিভিএসকে না নেওয়া।
হায়দ্রাবাদির সাফল্যের নির্যাস বা রূপ-গন্ধ-বর্ণ লুকোনো এখানেই। তিনি 'মিসড' হবেন যতটা তিনি পূজিত হয়েছেন তার চেয়ে বেশিমাত্রাতেই। সম্ভবতঃ ক্রিকেট অধ্যুষিত দেশের বীরপুজোয় আচ্ছন্ন লক্ষ মনে তাঁর মূল্যায়ন এটাই। তুলনাগত দিক থেকে তুচ্ছ কিন্তু প্রয়োজনীয়তায় সর্বোচ্চ। কিছু রোম্যান্সের ডি-কনস্ট্রাকশন হয়না ,নয় তার টাও নাই বা হলো তবুও তিনি কবিতা ঠাসা খাতা বিপদের চোরাবালির মাঝে। লক্ষ্মণ হয়েও রামের সমধিক গুরুত্ববাহী, অন্ধকারে আলোর স্বতন্ত্র উৎসও।
শুভ জন্মদিন ভিভিএস।

সেরা পোস্ট

সেই রাতটা! (পুরো গল্প) শোভন নস্কর

- হ্যালো? সমীর ? বল ভাই কেমন আছিস? ফোনেই পাওয়া যায় না তোকে ! - হ্যাঁ এখন একটু ব্যস্ত থাকি আজকাল । বাবা ব্যবসায় ঢুকিয়ে দিয়েছে । - ভালো ...