" গাইতে বসে কণ্ঠ ছিঁড়ে আসবে যখন কান্না
বলবে সবাই ঐ যে পথিক তাঁর শেখানো গান না.."
বলবে সবাই ঐ যে পথিক তাঁর শেখানো গান না.."
সাল ২০১৮। ফ্যান্টাসি হয়তো তবু ভাবা যাক। পার্থের আগুন ঝরা পিচ। ভারত ২১- ৪। একদিক থেকে আগুন ঝরাচ্ছে স্টার্ক তো অন্যদিকে টাট্টু ঘোড়ার মতো লাফাতে লাফাতে বোলিং মার্কে যাচ্ছে হ্যাজলউড। ২০০৩ এর সেঞ্চুরিয়ানের দ্রাবিড়ের মতো লাফিয়ে টাফিয়েও পেস ম্যানেজ করতে পারছেন না রাহানে। ক্রমশঃ জেগে উঠছে পরিচিত অসি আগ্রাসন আর তা থেকেই আরো আগুনে হয়ে পড়ছেন স্টার্করা। ঠিক এখানেই নিহিত এই লেখার নির্যাস আর প্রথম দু লাইনের যথার্থতা। যিনি ফিরিয়ে দিতে পারতেন এই আগ্রাসন , কব্জির প্রতিটা মোচড়ে ছুড়ে ফেলতে পারতেন বেয়াদব অজিদের সীমানার বাইরে , আমরা নিশ্চিতভাবে মিস করতে শুরু করবো তাকে।রেকর্ড ,সেন্চুরী কণ্টকিত পরিসংখ্যান আজ থাক। ওসবের জন্য ইন্টারনেট আর মোহনদাস মেনন তো আছেই। বরং প্রাধান্য পাক শিল্প। প্রেমের মতোই। প্লেটোনিক হোক , শরীরী নয়। মুহূর্তের কোলাজ খুঁজে নিক চিনে নিক উল্টোদিকে থাকা মানুষটার সত্ত্বাটাকে।
ভিভিএস লক্ষ্মণও তো খানিকটা তাই। রোমান্স মানে চিরকালই একটা কুয়াশা , কিছুটা দেখা আর অনেকখানিই না দেখা। হায়দ্রাবাদির উত্থান এমন সময়ে যখন মধ্যগগনে সচিন-দ্রাবিড়-সৌরভ। একটু পরে বীরু। কি সব দিন কি সব ক্যানভাস। সচিনকে নিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখছেন ওয়ার্ন তো সৌরভ বল ফেলছেন টনটনের নদীতে, বীরু তোয়াক্কা করছেন না পৃথিবীর কোনো বোলারকে। ঠিক এই সময়েই আসলেন তিনি। চিরকালই সাব প্লট গোছের হয়েও গুরুত্বে সর্বোত্তম। কাব্যে উপেক্ষিত এক মহানায়ক যার সব আছে নেই শুধু লাইমলাইট। ইডেনের ঐতিহাসিক টেস্ট থেকে টেল এন্ডার নিয়ে টেস্ট জেতানো ভিভিএস মানেই উত্তুঙ্গ সাফল্য আর কঠিনতর শিখর জয়ের বিশ্বস্ত সেনা। চমকে দেওয়া ২০০৩ বিশ্বকাপের সেনানী সৌরভ এখনও মনে করেন তাঁর সবচেয়ে বড় ভুল ছিল দীনেশ মোঙ্গীয়ার পরিবর্তে ভিভিএসকে না নেওয়া।
ভিভিএস লক্ষ্মণও তো খানিকটা তাই। রোমান্স মানে চিরকালই একটা কুয়াশা , কিছুটা দেখা আর অনেকখানিই না দেখা। হায়দ্রাবাদির উত্থান এমন সময়ে যখন মধ্যগগনে সচিন-দ্রাবিড়-সৌরভ। একটু পরে বীরু। কি সব দিন কি সব ক্যানভাস। সচিনকে নিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখছেন ওয়ার্ন তো সৌরভ বল ফেলছেন টনটনের নদীতে, বীরু তোয়াক্কা করছেন না পৃথিবীর কোনো বোলারকে। ঠিক এই সময়েই আসলেন তিনি। চিরকালই সাব প্লট গোছের হয়েও গুরুত্বে সর্বোত্তম। কাব্যে উপেক্ষিত এক মহানায়ক যার সব আছে নেই শুধু লাইমলাইট। ইডেনের ঐতিহাসিক টেস্ট থেকে টেল এন্ডার নিয়ে টেস্ট জেতানো ভিভিএস মানেই উত্তুঙ্গ সাফল্য আর কঠিনতর শিখর জয়ের বিশ্বস্ত সেনা। চমকে দেওয়া ২০০৩ বিশ্বকাপের সেনানী সৌরভ এখনও মনে করেন তাঁর সবচেয়ে বড় ভুল ছিল দীনেশ মোঙ্গীয়ার পরিবর্তে ভিভিএসকে না নেওয়া।
হায়দ্রাবাদির সাফল্যের নির্যাস বা রূপ-গন্ধ-বর্ণ লুকোনো এখানেই। তিনি 'মিসড' হবেন যতটা তিনি পূজিত হয়েছেন তার চেয়ে বেশিমাত্রাতেই। সম্ভবতঃ ক্রিকেট অধ্যুষিত দেশের বীরপুজোয় আচ্ছন্ন লক্ষ মনে তাঁর মূল্যায়ন এটাই। তুলনাগত দিক থেকে তুচ্ছ কিন্তু প্রয়োজনীয়তায় সর্বোচ্চ। কিছু রোম্যান্সের ডি-কনস্ট্রাকশন হয়না ,নয় তার টাও নাই বা হলো তবুও তিনি কবিতা ঠাসা খাতা বিপদের চোরাবালির মাঝে। লক্ষ্মণ হয়েও রামের সমধিক গুরুত্ববাহী, অন্ধকারে আলোর স্বতন্ত্র উৎসও।
শুভ জন্মদিন ভিভিএস।

No comments:
Post a Comment