Wednesday, 13 September 2017

ইয়োর নেম সিনেমা নিয়ে কিছু কথা -শোভন নস্কর


পশ্চিমি দুনিয়া চিরকাল এশিয়ান সংস্কৃতিকে নাঁক সিঁটকিয়ে এসেছে। তাই এশিয়ান সিনেমা নিয়েও আই এম ডি বি বা অন্য জার্নালে কম লেখা হয়। বহুদিন আগে স্টুডিও ঘিবলির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হায়ায়ো মিয়াসাকিকে অনুরোধ করা হয় হলিউডে সিনেমা বানাতে। খুব সম্ভবত স্পিরিটেড অ্যাওয়ে' তে বলা হয় কিছ জায়গা পরিবর্তন করে হলিউডে বানাতে। রাজি হননি হায়ায়ো। হলিউডে যদি জাপানীরা এসে যেত তাহলে পিক্সল বা ডিজনির মত কোম্পানি গুলির কি হত কে জানে!
যাইহোক, জাপানিজ অ্যানিমেশন এখনো চিরাচরিত ২ডি অ্যানিমেশন এর উপর নির্ভরশীল। ডিটেইল ওয়ার্ক আর নিঁখুত গল্প। মিয়াসাকিকেই গুরুদেব করে এগিয়ে চলেন মাকাতো শিনকাই। অবশেষে তিনি মিয়াসাকির পাশেই হয়ত নিজেকে বসিয়ে ফেললেন 'your name' এর মাধ্যমে। অ্যানিমেশন এ তৈরি এটাই কি পৃথিবীর ইতিহাসে সেরা সিনেমা? এমন তর্ক বাধলে আমি অন্তত অবাক হব না।
সিনেমার ঘটনা হল মিতসুহা বলে ছোট শহরের একটা সাধারণ মেয়ে আর টোকিওর একটা সাধারণ ছেলে তাকি যাদের ঘুমের মধ্যে আত্মার অদলবদল হয়ে যেত। মিতসুহা তাকির জীবন যাপন করত আর তাকি মিতসুহার। তারপর সেটা বন্ধ হয়ে গেলে তাকি অনুসন্ধান করতে থাকে মিতসুহা কে? কোথায় থাকে? খুঁজতে খুঁজতে সে যখন ওই ছোট শহরটায় আসে তখন দেখে সেই শহরটাই তিন বছর আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে উল্কাপিণ্ড পড়ে! তারপর কি হবে? কিভাবে সে খুঁজে পাবে মিতসুহা কে? টাইম ট্রাভেল- ফান্টাসি আর রোম্যান্স মিশিয়ে অসাধারণ গল্প। দর্শককে শুধু বিষ্ময় আর মুগ্ধতা দেবে।
আই এম ডি বি রেটিং - ৮.৫
খুঁতখুঁতে রটেন টমেটো- ৯৮%
আর আমি দিলাম - ৯ 

No comments:

Post a Comment

সেরা পোস্ট

সেই রাতটা! (পুরো গল্প) শোভন নস্কর

- হ্যালো? সমীর ? বল ভাই কেমন আছিস? ফোনেই পাওয়া যায় না তোকে ! - হ্যাঁ এখন একটু ব্যস্ত থাকি আজকাল । বাবা ব্যবসায় ঢুকিয়ে দিয়েছে । - ভালো ...