Tuesday, 26 September 2017

সাঁ কো বি ষ য় ক -সুতীর্থ



কিভাবে ডাকলে বলো পাল্টে দেবে চোখের দৃষ্টিরেখা ; মাংস হাড় পাঁজরের ভিতরে আটকে থাকা তোমাকে আবিষ্কার করবো চারপাশের গুলঞ্চ-লতায়..

বুঝি এতদিনে ঈশ্বর বেড়িয়েছেন সহজের খোঁজে , সহজ মানুষ একবার ছুঁয়ে দিলে আশরীর জুড়িয়ে যেত সমস্ত সন্তাপ..

কোনদিকে আলো ফেলছো আলো.. এদেশে প্রতীক্ষমাণ শয়ে শয়ে আলো-হীন চোখ শাসিত হচ্ছে বিদ্যুৎ ও বারুদে..

ইচ্ছে হলে দু'আঙুলে টিপে মারতে পারো, বুঝি এতটাই সহজলভ্য মানুষের জান.. মোমবাতি মিছিল শেষে তোমাকে এ সমাজ মনেও রাখবে না..

শিকড় খুঁজি না কেউ, শুধু গাছের পাতাগুলো ধুয়ে মুছে রাংতা মাখাই..
দ্রুত অসুখ ছড়িয়ে পড়ে শাখা প্রশাখায়

লক্ষ্য পরিণত হলে কারুকার্যময় বৃত্তে তার দেওয়াল ধরে কেবল দৌঁড়োনোই যায়, কোথাও পৌঁছনো হয় না

সমস্ত ভাঙনের মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছো তুমি, বোঝো! দেখবে চারপাশের মানুষজনকে আঁকড়ে ধরছো খুব করে

দুটো মানুষ যখন কাছাকাছি আসে ; আমি একটি সাঁকোর কথা ভাবি..

যা কিছু মিথ্যে তা মিথ্যেই , অভিনয় নেই
স্বপ্নকে বাতাস থেকে শ্বাস নিতে দাও
১০
নিজের ঘরটুকুকে সাজিয়ে দিতে পারলেই বাইরেটা যথাযথ সাজানো গুছানো পরিপাটি..

No comments:

Post a Comment

সেরা পোস্ট

সেই রাতটা! (পুরো গল্প) শোভন নস্কর

- হ্যালো? সমীর ? বল ভাই কেমন আছিস? ফোনেই পাওয়া যায় না তোকে ! - হ্যাঁ এখন একটু ব্যস্ত থাকি আজকাল । বাবা ব্যবসায় ঢুকিয়ে দিয়েছে । - ভালো ...