ঘটনাটা বেশ কয়েক বছর আগের। বনগাঁ তে তখন এম.এ করছি। বাড়িতে আসার জন্য ডি.এন.১২ ধরতে হয় কোর্টের ওখান থেকে। কোর্টের চারিপাশে ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা যেখানে সেখানে রাজনৈতিক নেতারা মাইকে বাক্যবাণ ঝাড়েন। যাইহোক, সে সময় সিপিএমের আমল। বাস ছাড়ার জন্য অপেক্ষা করছি হঠাৎ কানে গেল এক বিরোধী নেতা মাইকে বলছেন, " আজ রাজ্যবাসীর অতি খারাপ সময়। দুর্দিনের মধ্যে দিয়ে চলেছে। রাত হয়ে গেলে লোডশেডিং। অন্ধকার। গরমে কষ্ট সহ্য করে। অন্ধকারে হাতড়ায় আর বালিশে মুখ গুঁজে রাতে শোয়ার আগে গুমরে গুমরে কাঁদে। এদিন কি আমরা চেয়েছিলাম? " কোন দিন উনি চেয়েছিলেন আমি জানি না কিন্তু কারেন্ট না এলে বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদতে বাপু কাউকে দেখিনি!
ভাষণ দেওয়া একটা বিশাল ব্যাপার। রসিয়ে মিথ্যা কথা বলাতেও অনেক ট্যালেন্ট লাগে। এটা তৃনমূল পার্টি ভালই জানে। কিন্তু রসালো করতে গিয়ে মাঝে মাঝে আবেগে অনেকেই ভুল বকে ফেলে। সে যাই হোক ভাষণ টা বিশ্বাসযোগ্য হওয়া চাই। চিরঞ্জিৎ আর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের একবার ভাষন শুনতে হয়েছিল। ভালই দর্শকদের সাথে কমিউনিকেট করতে পারে। বারাসাত রবীন্দ্রভবনে যুব উৎসবে গিয়ে দেখি জ্যোতিপ্রিয় বাবু বললেন, "তোমরা এখন কি আর লোডশেডিং দেখেছ? " পাঁচ মিনিট পরেই রবীন্দ্রভবনে কারেন্ট অফ!
চিরঞ্জিৎ অভিনেতা বেশ রসিয়ে বলতে পারেন। এমন গল্প করে বললেন যেন মনে হল পশ্চিমবঙ্গে এখন সূবর্ণযুগ চলছে ! এই বিষয়ে মোদির মত ভাল বক্তৃতা দিতে কাউকে দেখিনি। বিতর্কিত কথাগুলি সুকৌশলে এড়িয়ে যান। এমন ভাবে কথা বলেন যে মনে হয় পুরো মন থেকে কথা বলছেন। সেই সুললিত বক্তৃতা শুনে কত লোকেই এখন গলে জল যদিও সে বক্তৃতা ৯০% ফাঁপানো।
এরপর আসা যাক বামেদের কথায়। আমি বিখ্যাত লোকেদের বক্তৃতা খুব কম শুনেছি। আশেপাশে যা শুনি তাতে খুব বোর হয়ে যাই। সেই করতে হবে, জিততে হবে, তোমাকে আমরা ভুলছি না ভুলব না, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কেন, অরাজকতা বন্ধ কর! এক নেতা আমাদের কয়েকজন ইয়ং ছেলেকে পাশে বসিয়ে এক ঘন্টা এমন ভাষণ দিল যে মাথা টাল হয়ে যাচ্ছিল! গৌতমদেব ভাল বক্তৃতা দেন। বুদ্ধবাবুরাও ভাল বলতে পারেন। কিন্তু রসিয়ে বলাটা বোধহয় কমরেডদের আর হল না এ জীবনে! :)
ভাষণ দেওয়া একটা বিশাল ব্যাপার। রসিয়ে মিথ্যা কথা বলাতেও অনেক ট্যালেন্ট লাগে। এটা তৃনমূল পার্টি ভালই জানে। কিন্তু রসালো করতে গিয়ে মাঝে মাঝে আবেগে অনেকেই ভুল বকে ফেলে। সে যাই হোক ভাষণ টা বিশ্বাসযোগ্য হওয়া চাই। চিরঞ্জিৎ আর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের একবার ভাষন শুনতে হয়েছিল। ভালই দর্শকদের সাথে কমিউনিকেট করতে পারে। বারাসাত রবীন্দ্রভবনে যুব উৎসবে গিয়ে দেখি জ্যোতিপ্রিয় বাবু বললেন, "তোমরা এখন কি আর লোডশেডিং দেখেছ? " পাঁচ মিনিট পরেই রবীন্দ্রভবনে কারেন্ট অফ!
চিরঞ্জিৎ অভিনেতা বেশ রসিয়ে বলতে পারেন। এমন গল্প করে বললেন যেন মনে হল পশ্চিমবঙ্গে এখন সূবর্ণযুগ চলছে ! এই বিষয়ে মোদির মত ভাল বক্তৃতা দিতে কাউকে দেখিনি। বিতর্কিত কথাগুলি সুকৌশলে এড়িয়ে যান। এমন ভাবে কথা বলেন যে মনে হয় পুরো মন থেকে কথা বলছেন। সেই সুললিত বক্তৃতা শুনে কত লোকেই এখন গলে জল যদিও সে বক্তৃতা ৯০% ফাঁপানো।
এরপর আসা যাক বামেদের কথায়। আমি বিখ্যাত লোকেদের বক্তৃতা খুব কম শুনেছি। আশেপাশে যা শুনি তাতে খুব বোর হয়ে যাই। সেই করতে হবে, জিততে হবে, তোমাকে আমরা ভুলছি না ভুলব না, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কেন, অরাজকতা বন্ধ কর! এক নেতা আমাদের কয়েকজন ইয়ং ছেলেকে পাশে বসিয়ে এক ঘন্টা এমন ভাষণ দিল যে মাথা টাল হয়ে যাচ্ছিল! গৌতমদেব ভাল বক্তৃতা দেন। বুদ্ধবাবুরাও ভাল বলতে পারেন। কিন্তু রসিয়ে বলাটা বোধহয় কমরেডদের আর হল না এ জীবনে! :)

No comments:
Post a Comment